নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এ ছলাত-সালাম পাঠ তথা মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণনা করেছেন

 

 

যেমন হাদীছ শলীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-

عن ابن مسعود رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اولى الناس بى يوم القيامة اكثرهم على الصلوات.

 

অর্থ: হযরত ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “ঐ ব্যক্তিই ক্বিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটে থাকবে, যে ব্যক্তি আমার প্রতি অধিক মাত্রায় ছলাত পাঠ করবে।” (তিরমিযী, মেশকাত, মায়ারেফুস্ সুনান, উরফুশ্ শাযী, তোহফাতুল আহওয়াযী, মেরকাত, লুময়াত, শরহুত্ ত্বীবী, তা’লীকুছ্ ছবীহ মোযাহেরে হক্ব)

 

হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে-

 

عن ابن مسعود رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان لله ملئكة سياحين فى الارض يبلغونى من امتى السلام.

 

অর্থ: হযরত ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ্ পাক রব্বুল আলামীনের কিছু সংখ্যক ফেরেশ্তা রয়েছেন, যারা পৃথিবীতে ভ্রমণ করে বেড়ান এবং আমার উম্মতের পাঠকৃত সালাম আমার নিকট পৌঁছিয়ে দেন। (নাসাঈ, দারেমী, মেশকাত, মেরকাত, আশয়াতুল লুতয়াত, শরহুত্ ত্বীবী, তা’লীকুছ্ ছবীহ, মোযাহেরে হক্ব)

অতএব, সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, মীলাদ শরীফ পাঠ করা অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত করা ও উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ করা কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এরই নির্দেশ বা আমল।

৮১

অতএব, মীলাদ শব্দের পারিভাষিক অর্থ যেহেতু সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত করা ও উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা, সেহেতু তা স্বয়ং মহান আল্লাহ্ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সহ সকলেরই সুন্নতের অন্তর্ভূক্ত।

 

এ মহান সুন্নতটি আদায় করার যে পদ্ধতি বা নিয়ম বর্তমানে জারী রয়েছে তা পরবর্তীতে কারো মনগড়া তৈরীকৃত কোন পদ্ধতি বা নিয়ম নয়। বরং এ নিয়ম স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার যামানাতেই জারী ছিল এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পালন করেছেন। অতঃপর সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে এ নিয়ম পালিত হয়ে আসছে।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s