গনিতে মুসলমানদের অব্দান পর্ব ১

গণিতে তো মুসলমানদের সবচাইতে বেশি অবদান।আধুনিক গণিতের শতকরা ৯৯ ভাগই মুসলমান উনাদের আবিষ্কার।যেমনঃ সর্বপ্রথম যেটা আসে ,সেটা হচ্ছে আমরা যে সংখ্যা গণ্না করি ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯-এই সংখ্যার ১ এর পর শূন্য দিলে যে ১০ হয়,এটাই মুসল্মান উনাদের আবিষ্কার।এটা আবিষ্কার করেছেন আবু জাফর মুহম্মদ ইবনে মুসা আল খ্ব্ব্ব্বওয়ারিজিমি; উনিই  প্রথম বলেছেন যে, ১ এর পরে শূন্য দিলে ১০ হয়।

 

 

এর আগে যেগুলি ছিল ঐগুলি অনেক কঠিন ছিল।যেমন রোমান সংখ্যা; তাদের  এরকম সংখ্যা ছিল না বরং ১,৫,১০.৫০.১০০.৫০০.১০০০,৫০০০ এরকম সংখ্যা ছিল যার সাথে যোগ বিয়োগ করে করে অন্যান্য সংখ্যা যেটা প্রয়োজন সেটা বানিয়ে নিতে হয়

 

 

আর ইন্ডিয়ান সংখ্যাটা ছিল ১ থেকে ৯ পর্যন্ত ৯ টা সংখ্যা ,১০ থেকে ৯০ পর্যন্ত আরো ৯ তা সংখ্যা,আবার ১০০ থেকে ৯০০ পর্যন্ত আরো ৯টা সংখ্যা-এরকম অনেক সংখ্যা।ইন্ডিয়ান সংখ্যাটা কিছুটা সোজা হলেও কিন্তু সংখ্যা এত বেশি যে, সংখ্যা মনে রাখতেই অনেক কষ্ট হয়ে যায়।কিন্তু মুহম্মদ ইবনে মুসা আল খ্ব্ব্ব্বওয়ারিজিমি উনি সবচেয়ে সুন্দর একটি পদ্ধতি দিয়ে গেছেন যে, ১ এর পর একটা শূন্য দিলেই ১০ হয়ে যায়।মানে ১০ সংখ্যায়ই অংক শেষ।

 

 

ব্যাখ্যাঃ রোমান সংখ্যা পদ্ধতিঃ

 

 

IMG_20150428_183205

 

 

 

 

 

 

হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতিঃ

 

IMG_20150621_110433

এই পদ্ধতিতেও চিহ্ন মনে রেখে অন্যান্য সংখ্যা তৈরী করতে হয়।তবে এতে সুবিধা হচ্ছে চিহ্ন গুলো একক,দশক,শতক স্থানীয়।তাই রোমানদের চেয়ে একটু সহজ হলেও চিহ্ন অজস্র তাই মনে রেখে বড় সংখ্যা গণনা করা খুব কঠিন।যেমনঃ১৮০০ লিখতে হলে,১০ এর চিহ্ন ও ৮ এর চিহ্ন সমন্বয়ে  ১৮ এর নতুন  চিহ্ন এর সাথে ১০০০ এর চিহ্ন মিলিয়ে ১৮০০ লিখতে হবে।এভাবে অজস্র নতুন চিহ্ন তৈরি করতে হয়  এবং মনে রাখতে হয় যা খুবই কঠিন।

 

আরবীয় সংখ্যা পদ্ধতি(আল-খ্ব্ব্ব্বওয়ারিজিমি প্রবর্তিত)

 

IMG_20150428_183507

 

এই পদ্ধতিতে শুন্য থেকে নয় এই ১০টি চিহ্ন দিয়েই সব রকমের সংখ্যা তৈরী করা যায় যেভাবে আমরা বর্তমানে লিখে থাকি,চিহ্নও কম লাগে,বুঝতেও সহজ।

 

(ইনশাআল্লাহ চলবে)

Advertisements

পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলের হৃদয় বিদারক ইতিহাস এদিন কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদেরকে চরম মিথ্যা, প্রতারণা ও ধোঁকা দিয়ে নির্মমভাবে শহীদ করেছে | মুসলমান নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে

 পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলের হৃদয় বিদারক ইতিহাস

এদিন কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদেরকে চরম মিথ্যা,

প্রতারণা ও ধোঁকা দিয়ে নির্মমভাবে শহীদ করেছে |

মুসলমান নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে

গাফিল থাকার কারণেই আজকে বিধর্মীদের

ষড়যন্ত্রে চরমভাবে নির্যাতিত হচ্ছে |

প্রতি বৎসর ১লা এপ্রিলের নামে বাড়িতে-বাড়িতে,

পাড়া-মহল্লায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, অফিস-আদালতে

একে অপরকে ধোঁকা দিয়ে ঠকিয়ে প্রতারণা করে

পহেলা এপ্রিল পালন করে থাকে | নাউযুবিল্লাহ! এ

প্রতারণার আনন্দকে তারা পহেলা এপ্রিলের আনন্দ

মনে করে থাকে এবং মুখেও তা উচ্চারণ করে থাকে |

নাঊযুবিল্লাহ! অথচ হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,

‘যে ধোঁকা দেয় সে আমার উম্মত নয় |’ আরো ইরশাদ

করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে

তার হাশর-নশর তাদের সাথে হবে |”

পহেলা এপ্রিলে যারা ধোঁকা দিয়ে কৌতুক করে বা

অপরকে ঠকানোর আনন্দে বিভোর হয় তারা শুধু মিথ্যা

ও প্রতারণার মতো হারাম ও শক্ত কবীরা গুনাহর

দ্বারাই কঠিন গুনাহগারে পরিণত হয় না, পাশাপাশি

তারা এদিনে লাখ-লাখ মুসলমান শহীদকারীদের দলেও

নিজেদের নাম লেখায় | মুসলমান নামধারণ করে

মুসলমানদের শহীদ করাতে নিজেদের সমর্থন ও আনন্দ

প্রকাশ করে | মুসলমানদের শত্রুদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে

যায় | নাঊযুবিল্লাহ!

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “পৃথিবীর এক প্রান্তে

যদি কেউ নেক কাজ করে এবং অপর প্রান্ত থেকে তা

সমর্থন করে তবে সে সমান নেকী পাবে | আবার এক

প্রান্তে যদি কেউ গুনাহ করে অপর প্রান্ত থেকে কেউ

তা সমর্থন করে তারও সমান গুনাহ হবে |”

মুসলমানরা আজ ইলম চর্চা হতে অনেক দূরে |

মুসলমানরা নিজেদের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সম্পর্কে বড়ই বেখবর | আজ মুসলমানরা নিজেদের

স্বর্ণযুগ, সারা বিশ্বব্যাপী তাদের বিস্তীর্ণ জ্ঞান-

বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব উন্নতি ইত্যাদি সম্পর্কে কিছুই

জানে না | আবার অপরদিকে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে

কাফির-বিধর্মীরা যে মুসলমানদের উপর কতো

মর্মান্তিক যুলুম করেছে, নির্মমভাবে শহীদ করেছে

সে খবরও মুসলমান জানে না | পহেলা এপ্রিলে এমনি

ধরনের এক নির্মম কাহিনী রয়েছে | যাতে লাখ-লাখ

মুসলমানের নির্মমভাবে শাহাদাতের ঘটনা ঘটেছে |

গল্পে পড়েছি কোন এক বাদলা দিনের অপরাহেৃ

ছেলেরা দলবেধে পুকুরে বেঙদের ঢিল ছুঁড়ে আনন্দ

উপভোগ করছিল | বেঙের দল প্রতিবাদ করে বলেছিল

ঢিল ছোঁড়া তোমাদের খেলা হলেও আমাদের জন্য

উহা মৃত্যুর কারণ | April fool এর ঘটনাটি ইতিহাসের

দৃষ্টিতে আলোচনা করলেও দেখা যাবে যে,

মুসলমানদের জন্য আন্দদায়ক নয় বরং মুসলমানদের জন্য

ভাষাহীন বেদনাদায়ক |

পৃথিবীর ইতিহাসে কোন রাজ শক্তিই যতবড়

শক্তিশালী ও পরাক্রমশালীই হোকনা কেন কোন

দেশে চিরস্থায়ী হতে পারেনি | ইউরোপের গথ

শাসকরাও তাই পারেনি তাদেরে শোষনমূলক নীতি

দীর্ঘদিন ইউরোপে টিকিয়ে রাখতে ৭১২ সালে

দামেস্কের উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদের সময়

স্পেনবাসীর আমন্ত্রনে তারেক বিন মুসা রহমতুল্লাহি

আলাইহি গোপনে মুসলিম বিজয় পতাকা উত্তোলন করে

| এরই পরিপ্রেক্ষিতে মুসলমান ও খ্রিষ্টান

সম্প্রদায়ের মধ্যে চলতে থাকে ভুল বুঝাবুঝি ও শক্রতা

| এতদসত্ত্বেও গথদের অলস গরিমায় যে উপদ্বীপ মৃত ও

অনুর্বর হয়ে পড়েছিল, পরিশ্রমী ও সাহসী মুসলিম

শাসকের স্পর্শে তা উদ্ভাবনশীল, জ্ঞানালোকিত,

শিক্ষা ও সভ্যতার লীলাভূমিতে পরিনত হয়, জন্ম হয়

আধুনিক ইউরোপের | মুসলমানগণ সুদীর্ঘ প্রায় সাড়ে

সাতশত বৎসর এখানে কৃতিত্বের সাথে রাজত্ব করেন |

তাদের শাসনে ইউরোপ উন্নতির চরম শিখরে আরোহন

করলেও খ্রিষ্টানরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি | তারা

ভিতরে ভিতরে গুমরে মরছিল আর চিন্তা করছিল

কিভাবে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটানো যায় এ

উপমহাদেশ থেকে | খ্রিষ্টান জগতে আশার আলো

উদিত হয়ে ১৪৬৯ সালে দুই মুসলিম বিরোধী খ্রিষ্টান

শক্তি আরাগানের ফার্ডিনান্ড ও কাস্টাইলের

ইসাবেলার বিবাহ বন্ধনে খ্রিষ্টান জোট সৃষ্টির

মাধ্যমে | এই খ্রিষ্টান জোট প্রথমেই মুসলিম সভ্যতা

নিশ্চিহ্ন করার দৃঢ় সংকল্প নেয় | এই সংকল্পের

ফলশ্রুতিতে মুসলিম সুলতান বোয়াবলিদের দূর্বলতার

কারণে এক অকস্মাৎ আক্রমনাত্মক অভিযানের দ্বারা

গ্রানাডা রাজ্যের প্রবেশদ্বার বিখ্যাত মুসলিম দুর্গ

আল-হামারার পতন ঘটায় | খ্রিষ্টানরা মুসলিম

হত্যাযজ্ঞ শুরু করে | অসংখ্য অসহায় বালক-বালিকা,

বৃদ্ধ-শিশু ও নারীর রক্তে শানিত কৃপান রঞ্জিত করে

পরম তুষ্টি লাভ করে ফার্ডিনান্ড ও ইসাবেলা দম্পতি

| আল-হামারা দূর্গের পতনের দীর্ঘ দশ বছর পরে

ফার্ডিনাল্ড গ্রানাডা রাজ্য তাদের হাতে সমর্পনের

নির্দেশ দেয় মুসলিম সুলতানকে | অপমানজনক এ আদেশ

মুসলিম সুলতান প্রত্যাখ্যান করেন | এতে চল্লিশ

হাজার পদাতিক ও দশ হাজার খ্রিষ্টান সেনার

আক্রমনে শেষ বিখ্যাত মুসলিম সেনাপতি মুসা বিন

গাজান রহমতুল্লাহি আলাইহি ও তাঁর বাহিনী

পরাজিত হন |

বিজয়ী ফার্ডিনান্ড দম্পতি পরাজিত মুসলিম

সৈন্যদের সন্ধির টোপে আবদ্ধ করে তাদেরকে

অস্ত্রমুক্ত করে | কিন্তু তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন সেনাপতি

মুসা রহমতুল্লাহি আলাইহি এ সন্ধিকে মরন টোপ বুঝতে

পেরে সন্ধি শর্তে আবদ্ধ না হওয়ার জন্য স্বপক্ষীয়

সেনাদল ও জনগণকে এক তেজস্বীনি ভাষনে ভয়াবহ

ভবিষ্যত পরিনতির ইঙ্গিত দান করেন | কিন্তু তার

অবশ্যম্ভাবী পতনের আশংকায় মুসলমানগণ তার এই

গুরুত্বপূর্ণ ভাষনের কোন মর্যাদা দেয়নি | তাই তিনি

উপায়ন্তর না দেখে এলাভিরা তোরন দিয়ে

আশ্বারোহনে নগর ত্যাগের সময় ওত পেতে থাকা

দশজন খ্রিষ্টান অশ্বারোহীর দ্বারা বাধা প্রাপ্ত

হয়ে যুদ্ধ করতে করতে তাদের কয়েকজনকে হতাহত

করেন এবং নিজেও মারাত্মকভাবে আহত হন |

অবশেষে শত্রু হাতে বন্দী হওয়ার চেয়ে শেনিল

নদীতে ঝাপিয়ে পড়ে চির শান্তি লাভের পথ বেছে

নেন | সেনাপতি মুসা বিন নুসাই রহমতুল্লাহি আলাইহি-

এর শৌর্যে ৭১২ সালে স্পেনে যে মুসলিম রাজ্যের

বুনিয়াদ প্রতিষ্ঠিত হয় তারই সোচনীয় পরাজয় ঘটে

৭৮০ বছর পরে ১৪৯২ সালে একই নামে সেনাপতি মুসা

বিন গাজান রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর জীবনাবসানে |

ধর্মের আবরনে আচ্ছাদিত ফার্ডিনান্ড দম্পতি

মুসলমানদের সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তি ভঙ্গ করে

গোপনে ইসলাম ধর্ম নিষিদ্ধ ঘোষনা করে | শক্র

বেষ্টনে আবদ্ধ মুসলমানগণ বৃথা উত্তেজিত হয়ে

অত্যাচারের স্টীম রোলারে নিস্পেসিত হয় |

ফার্ডিনাল্ড আদেশ জারি করে মসজিদগুলোকে

নিরাপদ ঘোষনা করে | এ আদেশে আরো বলা হয় যে,

যারা মসজিদে আশ্রয় নিবে তারা নিরাপদ থাকবে,

অসংখ্য স্পেনীয় মুসলমান সরল বিশ্বাসে

মসজিদগুলোতে আশ্রয় গ্রহন করে আবদ্ধ হয় | শক্রর দল

মসজিদগুলিকে তালাবদ্ধ করে পেট্রোল ঢেলে আগুন

দিয়ে পুড়িয়ে ভস্ম করে দেয় অবশিষ্ট স্পেনীয়

মুসলমানদের | আর বাইরে থেকে যালিম খ্রিস্টনরা

উল্লাসভরে কৌতুক করে সমস্বরে Fool! Fool!! (ফুল, ফুল)

বলে অট্টহাসি আর চিৎকারে মেতে উঠে | দিনটি

ছিলো পহেলা এপ্রিল ১৪৯২ ঈসায়ী সন | অদ্যাবধি

প্রতারক খ্রিস্টানরা তাদের সেই শঠতার স্মরণে

ধোঁকা বা প্রতারণার দিবস হিসেবে পালন করে

‘এপ্রিল ফুল’ | আর এটাই হচ্ছে পহেলা এপ্রিল বা

এপ্রিল ফুলের হৃদয় বিদারক ইতিহাস |

খ্রিস্টানদের জন্য এদিনটি পালনীয় হলেও

মুসলমানদের জন্য ভাষাহীন বেদনাদায়ক | কেননা

মুসলমানদেরই হাতে গড়ে উঠা একটি সভ্যতা বর্বর

অসভ্য যালিম খ্রিস্টানদের নির্মম প্রতারণায় ভেসে

যায় লাখ লাখ মুসলমানদেরই বুকের তাজা রক্ত

স্রোতে | কাজেই এদিনের ইতিহাস থেকে প্রত্যেক

মুসলমান পুরুষ ও মহিলা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও

কর্তব্য হলো- হাক্বীক্বীভাবে ইহুদী-খ্রিস্টানদের

ইসলাম বিরোধী ও মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব

সম্পর্কে শিক্ষা নেয়া | তাদের সম্পর্কে সচেতন হতে

হবে | তাদের প্রতিহতকরণে জজবা পয়দা করতে হবে |

পাশাপাশি প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের

জন্য অবশ্যই, নিজেদের ঐতিহ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে

অবগত হওয়া এবং পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলসহ

সর্বপ্রকার বিজাতীয় নিয়মনীতি পালন করা থেকে

বিরত থাকা |

মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পর্ব ১

পৃথিবীঃ- সৌরজগতে আমাদের পৃথিবী একটি

গ্রহ এবং তার একমাত্র উপগ্রহ হলো চাঁদ। চাঁদ

পৃথিবীকে ঘিরে প্রতি চন্দ্রমাসে একবার

ঘুরে এবং পৃথিবী যে সূর্যের চারিদিকে

প্রতি সৌরবছরে একবার ঘুরছে তা আমাদের

সকলেরই জানা।

উপরের ছবিতে উত্তর মেরুর উপর হতে

পৃথিবীর ঘূর্ণন দেখানো হয়েছে। কল্পনা

করলেই বোঝা যাবে উত্তর মেরুর উপর

থেকে দেখলে মনে হবে পৃথিবী ঘড়ির

কাটার বিপরীত দিকে ঘুরছে।

অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা

পৃথিবীর মানচিত্রে কোনো স্থান

নির্ণয়ের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে এবং উত্তর-

দক্ষিণে কতকগুলো কাল্পনিক রেখা অঙ্কন

করা হয়। এগুলোকে যথাক্রমে অক্ষরেখা

ও দ্রাঘিমারেখা বলে। অক্ষরেখা ও

দ্রাঘিমারেখা ভূগোলের একটি অত্যন্ত

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোনো স্থানের অবস্থান

অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে জানা যায়।

দ্রাঘিমার অবস্থান থেকে কোনো

স্থানের সময় জানা যায়। অক্ষরেখার সাহায্যে

যেমন নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা

দক্ষিণে অবস্থান জানা যায়, তেমনি মূল

মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান

জানার জন্য মধ্যরেখা বা দ্রাঘিমারেখা ব্যবহার

করা হয়। অক্ষরেখার অংশকে অক্ষাংশ এবং

দ্রাঘিমারেখার অংশকে দ্রাঘিমা বলে।

অক্ষাংশ(Latitude):

অক্ষাংশ কাকে বলে তা জানতে হলে

প্রথমে আমাদের জানতে হবে পৃথিবীর

মেরুরেখা বা অক্ষ এবং নিরক্ষরেখা ও

সমাক্ষরেখা কাকে বলে। পৃথিবীর কেন্দ্র

দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে

মেরুরেখা বলে। এ অক্ষের উত্তর-প্রান্ত

বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু(North

Pole) এবং দক্ষিণ প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ

মেরু বা কুমেরু(South Pole) বলে। প্রথম

পর্বে আমরা এই ছবি গুলো দেখেছি । দুই

মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে

পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা

কল্পনা করা হয়েছে। এ রেখাকে বলা হয়

নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা(Equator) ।

পৃথিবীর গোলীয় আকৃতি কল্পনার জন্য এ

রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে

নিরক্ষবৃত্ত ও বলা হয়।

নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে

সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার

উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর

গোলার্ধ(Northern Hemisphere) এবং

নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিকের পৃথিবীর

অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ(Southern

Hemisphere) বলা হয়।

নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ

গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক

দূরত্ব স্থির করা হয়। এ জন্য পৃথিবীপৃষ্ঠে

যে স্থানের কৌণিক দূরত্ব বের করতে

হবে তার কোনো বিন্দুকে একটি কাল্পনিক

রেখার সাহায্যে পৃথিবীর কেন্দ্রের

সঙ্গে যোগ করা হয়। আবার

পৃথিবীপৃষ্ঠের ঐ বিন্দুর উপর দিয়ে প্রসারিত

মধ্য রেখা যে স্থানে নিরক্ষরেখাকে

ছেদ করে সেই ছেদ বিন্দুকে একটি

কাল্পনিক সরলরেখার সাহায্যে পৃথিবীর

কেন্দ্রবিন্দুর সঙ্গে যোগ করা হয়। এ

কাল্পনিক রেখা আসলে পৃথিবীর

গোলকের ব্যাসার্ধ। এ দুই রেখার সাহায্যে

পৃথিবীর কেন্দ্রে যে কোণ উৎপন্ন হয়

সে কোণই হল ঐ নির্দিষ্ট স্থানটির অক্ষাংশ।

নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে

অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে

(Angular Distance) সেই স্থানের অক্ষাংশ

(Latitude) বলে। ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থান

থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত যদি

কোনো সরলরেখা টানা যায় তা হলে ঐ

রেখা নিরক্ষীয় তলের সঙ্গে যে

কোণ তৈরি করবে সেই কোণই হবে ঐ

স্থানের অক্ষাংশ(Latitude) । এটি বুঝার জন্য

নিচের ভিডিও ফাইলটি দেখুন । এই ভিডিও এর

শেষের দিকে যে কোণ টি (40.641

Degree N) দেখানো হয় সেটিই মূলত লাল

ফোটা দ্বারা চিহ্নিত স্থানটির অক্ষাংশ । আর

76.166 Inch W কোণটি হচ্ছে ঐ স্থানের

দ্রাঘিমাংশ (Longitude) যা আমরা পরবর্তীতে

আলোচনা করব ।

নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত

কোনো স্থানের অক্ষাংশকে উত্তর

অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো

স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে।

পৃথিবীর বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন

কোণ ৩৬০ ডিগ্রি। এ কোণকে ডিগ্রি, মিনিট

ও সেকেন্ড বিভক্ত করা হয়। নিরক্ষরেখার

অক্ষাংশ ০ ডিগ্রি, উত্তর মেরু বা সুমেরুর

অক্ষাংশ ৯০ ডিগ্রি উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা

কুমেরুর অক্ষাংশ ৯০ ডিগ্রি দক্ষিণ। কারণ

নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর

কৌণিক দূরত্ব ৯০ ডিগ্রি । এ কোণকে ডিগ্রি ও

মিনিটে ভাগ করে নিরক্ষরেখার সমান্তরাল

যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে সমাক্ষরেখা

বলে। এই পোস্টের ১ম ছবিটিতে আমরা

সমাক্ষরেখা গুলো দেখতে পাচ্ছি।  এ

সমাক্ষরেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল,

প্রত্যেকে একটি পূর্ণবৃত্ত ও অক্ষাংশ

বাড়লে সমাক্ষরেখার পরিধি কমে। কয়েকটি

সমাক্ষরেখা বা অক্ষরেখা বিখ্যাত। এদের

একটি ২৩.৫ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ, একে বলা হয়

কর্কটক্রান্তি(Topic of Cancer) । অপরটি

২৩.৫ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ, একে বলা হয়

মকরক্রান্তি(Topic of Capricorn) । ৬৬.৫ ডিগ্রি

উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরুবৃত্ত

(Arctic Circle) এবং ৬৬.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ

অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরুবৃত্ত

(Antarctic Circle) । বিষুবরেখাকে

(Equator) বলা হয় মহাবৃত্ত । কোনো

অক্ষরেখার উপর অবস্থিত সব স্থানের

অক্ষাংশ সমান।

নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অঞ্চলের

অক্ষাংশকে অর্থাৎ ০ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রি

পর্যন্ত অক্ষাংশকে নিম্ন অক্ষাংশ, ৩০ ডিগ্রি

থেকে ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত অক্ষাংশকে মধ্য

অক্ষাংশ এবং ৬০ ডিগ্রি থেকে ৯০ ডিগ্রি

পর্যন্ত অক্ষাংশকে উচ্চ অক্ষাংশ বলে।

দ্রাঘিমারেখা(Meridians of Longitude):

নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে

ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর উপর দিয়ে

উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত

যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে

তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে। দ্রাঘিমারেখাকে

মধ্যরেখাও বলা হয়। মধ্যরেখাগুলোর যে

কোনো একটিকে নির্দিষ্ট মূল মধ্যরেখা

ধরে এ রেখা থেকে অন্যান্য মধ্যরেখার

কৌণিক দূরত্ব মাপা হয়। আমরা নিচের চিত্রে

লক্ষ্য করি—

Longitude

মূল মধ্যরেখা ( Prime Meridian ):

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উপকণ্ঠে

গ্রীনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর

দিয়ে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত

বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে

তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। এই রেখার মান ০

ডিগ্রি ধরা হয়েছে।মূল মধ্যরেখা থেকে

পৃথিবীর কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের

সাহায্যে অপরাপর দ্রাঘিমারেখাগুলো অঙ্কন

করা যায়। গ্রীনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে

৪৫ ডিগ্রি পূর্বে যে মধ্যরেখা বা

দ্রাঘিমারেখা তার উপর সকল স্থানের দ্রাঘিমা ৪৫

ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা। সূতরাং আমরা বলতে পারি

যে, গ্রীনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে

পূর্ব বা পশ্চিমে যে কোনো স্থানের

কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা

হয়। আমরা আরো জানি, গ্রীনিচের দ্রাঘিমা ০

ডিগ্রি। পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ

৩৬০ ডিগ্রি। মূল মধ্যরেখা এ ৩৬০ ডিগ্রি কে ১

ডিগ্রি অন্তর অন্তর সমান দুই ভাগে অর্থাৎ

১৮০ ডিগ্রি পূর্ব ও ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে ভাগ

করেছে। পৃথিবী গোলাকার করা হয় বলে

১৮০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা ও ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম

দ্রাঘিমা মূলত একই মধ্যরেখায় পড়ে।

অক্ষাংশের ন্যায় দ্রাঘিমাকেও মিনিট ও

সেকেন্ডে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি মিনিট

দ্রাঘিমা এ ডিগ্রির ৬০ ভাগের ১ অংশের সমান।

যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা

পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে

সেখানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০ ডিগ্রি।

আর এ স্থানটি হল গিনি উপসাগরের কোনো

একটি স্থান।

বিস্তারিত পড়ুন

শুধু স্পেন কিংবা বাগদাদ থেকে নয়, ভারতবর্ষ থেকেও মুসলমানগণ উনাদের লাইব্রেরীসমূহের বিজ্ঞানবিষয়ক কিতাবাদি লুট করেছিল ব্রিটিশরা

মুসলিম বিজ্ঞানীদের থিওরীগুলো খ্রিস্টানরা চুরি করে

নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে, এ সম্পর্কিত ইতিহাস

পর্যালোচনা করতে গেলে প্রথমেই বাগদাদ কিংবা

স্পেনের নাম আসে। বিশেষ করে স্পেনের পতনের

আগে ইউরোপের ইতিহাসে কোনো খ্রিস্টান

বিজ্ঞানীরই দেখা মেলে না। যাতে স্পষ্ট বোঝা যায়

যে, স্পেনে মুসলমানদের পরিত্যক্ত

লাইব্রেরীগুলোর বই নকল করেই খ্রিস্টানরা তখন

বিজ্ঞানী সেজেছিল। তবে শুধু স্পেন কিংবা বাগদাদ নয়,

বরং ভারতবর্ষ থেকেও খ্রিস্টানরা বহু বইপত্র চুরি করেছিল।

কিন্তু এ সম্পর্কিত ইতিহাসগুলো মোটেই আলোচনা করা

হয় না।

ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষ দখল করলো, তখন তারা এ

অঞ্চলের মুসলমানদের লাইব্রেরীগুলো লুট করে

তাতে সংরক্ষিত কিতাবাদি তাদের দেশে নিয়ে যায়। যেমন

কর্নেল হ্যামিলটন একাই দেড় হাজার পান্ডলিপি ইংল্যান্ডে

নিয়ে গিয়েছিল বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে।

মুসলমানদের নিকট থেকে খ্রিস্টানদের লুটকৃত বহু

পান্ডুলিপি ও বইপুস্তক ইউরোপের বিভিন্ন মিউজিয়াম ও

লাইব্রেরীগুলোতে পাচার হয়ে গিয়েছিল। অনেক

পান্ডুলিপি আবার খ্রিস্টানদের মধ্যেই অনেকের হাতে

হাতে ঘুরতো। এ সম্পর্কিত একটি ঘটনা রয়েছে হযরত

আবদুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

ছাত্র হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি

উনাকে কেন্দ্র করে।

হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে

আন্দামান দ্বীপে নির্বাসিত করেছিল যালিম ব্রিটিশরা। সেই

দ্বীপের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ব্রিটিশ সৈন্যদের যুলুম-

নির্যাতনে তিনি অত্যন্ত কষ্টের সাথে দিনযাপন করছিলেন।

উনাকে আন্দামানের যেই জেল খানায় রাখা হয়েছিল, সেই

জেল খানার প্রধানের নিকট ছিল ভারতীয় মুসলিম

জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক একটি ফারসী পা-ুলিপি। ব্রিটিশ

জেলপ্রধান বহু চেষ্টা করছিল সেই পা-ুলিপির পাঠোদ্ধার

করার, কিন্তু সে তা করতে সক্ষম হচ্ছিল না। তাই সে উক্ত

পা-ুলিপি তার জেল খানায় বন্দি যেসব মুসলিম আলিম ছিলেন,

উনাদের একজনের নিকট প্রেরণ করলো। উক্ত মুসলমান

আলিম সেই পা-ুলিপিটি দেন হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী

রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট।

হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন

পড়াশোনার মানুষ, সারাক্ষণ বইপুস্তক নিয়েই থাকতে পছন্দ

করতেন। উনার নিজেরও ছিল বংশ পরম্পরায় সংগৃহীত

কিতাবাদির বিশাল সংগ্রহ, যা ইংরেজরা লুট করে নিয়েছিল। কিন্তু

আন্দামানের বন্দিজীবনে উনার পড়ালেখার সুযোগ বন্ধ

হয়ে গিয়েছিল। ফলে তিনি উক্ত কিতাবখানা পেয়ে অত্যন্ত

আনন্দচিত্তে সেটার ব্যাখা-বিশ্লেষণ লিখে দেন এবং

সাথে টীকাটিপ্পনীও যোগ করে দেন।

সেই ব্যাখা-বিশ্লেষণ যখন ইংরেজ জেলারের নিকট

পৌঁছলো, তখন সে তার লেখকের সাথে মিলিত হতে

ব্যাকুল হয়ে উঠলো। ফলশ্রুতিতে একদিন সেই ইংরেজ

জেলারের নিকট হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী রহমতুল্লহি

আলাইহি উনাকে দেখিয়ে দেয়া হলো। তখন উনার পরনে

ছিল কয়েদীর কাপড়, হাতে টুকরি ও কোদাল। তা দেখে

ইংরেজ জেলার সাথে সাথে সেই কোদাল ও টুকরি উনার

হাত থেকে সরিয়ে নিলো এবং উনার ভালো থাকা-খাওয়া ও

পড়াশোনার বন্দোবস্ত করে দিলো। সাথে সাথে সে

ইংরেজ সরকারের নিকট আরও আবেদন করলো উনাকে

মুক্তি দেয়ার জন্য।

শেষপর্যন্ত হযরত ফযলে হক খায়রাবাদী রহমতুল্লাহি

আলাইহি তিনি আর স্বদেশে ফিরতে পারেননি, আন্দামানেই

উনার ইন্তেকাল হয়েছিল। তিনি ইংরেজ জেলারের নিকট থাকা

উক্ত জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক পা-ুলিপির যেই ব্যাখা-বিশ্লেষণ

লিখে দিয়েছিলেন, তা হয়তো বর্তমানের

পাঠ্যপুস্তকসমূহে বহুল পরিচিত কোনো তথাকথিত খ্রিস্টান

বিজ্ঞানী নিজের আবিষ্কার হিসেবে প্রচার করেছে।

এরকম বহু আরবী-ফারসী পান্ডুলিপি ইংরেজরা ভারতবর্ষ

থেকে লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। ফলশ্রুতিতে যে

বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষতি হয়েছিল ভারতবর্ষের মুসলমানদের, তা

তারা আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি