আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদশহীদ বেরলভী আলাইহিস সালামতিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাকউনার খাছ ওলী।

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদশহীদ

বেরলভী আলাইহিস সালামতিনি নিঃসন্দেহে

আল্লাহ পাকউনার খাছ ওলী।

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ

শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম

তিনি নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাক

উনার খাছ ওলী। উনার

প্রতি অপবাদকারী যালিম

গং নিঃসন্দেহে গুমরাহ, বাতিল,

লা’নতপ্রাপ্ত, জাহান্নামী ও

সুন্নী নামের কলঙ্ক

রেজাখানীরা আয়নায় নিজেদের

কুৎসিত চেহারা দেখে নিক

পবিত্র নসবনামা মুবারক

আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের

সিলসিলায় যুগের ইমাম, আমীরুল

মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরলভী আলাইহিস সালাম

তিনি আগমন করেন। উনার নূরানী পূত-

পবিত্র ঊর্ধ্বতন পূর্ব-পুরুষ

উনারা হাসানী সাইয়্যিদী খান্দান

হিসেবে মশহুর ছিলেন। বিশেষ

করে উনার অন্যতম পূর্ব-পুরুষ শায়খুল

ইসলাম, কুতুবুল আরেফীন, আমীরুল

মুজাহিদীন হযরত সাইয়্যিদ কুতুবদ্দীন

মুহম্মদ আল

হাসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৬০৭

হিজরীর কোন একসময়

স্বপ্নযোগে নূরে মুজাসসাম,

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ

থেকে মুবারক ইযাজত লাভ করেন

হিন্দুস্থানে এসে পবিত্র দ্বীন ইসলাম

উনার প্রচার-প্রসার করার জন্য। মুবারক

জিয়ারত শরীফ-এ তিনি একই

সাথে বিজয় এবং কামিয়াবীর

সুসংবাদপ্রাপ্ত হন। সুবহানাল্লাহ!

তিনি দীর্ঘদিন “শায়খুল ইসলাম”

পদে নিয়োজিত থেকে দিল্লির সকল

উলামা-মাশায়িখ ও সুলতানগণ

উনাদেরকে তা’লীম-তরবিয়ত দান

করেছেন।

পরবর্তীতে তিনি দিল্লি হতে হিজরত

করে কড়া নামক

স্থানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তুলেন।

১০৩৩ হিজরী সনের ১২ই রবীউল আউয়াল

শরীফ বিলাদত শরীফ লাভ করে ধন্য

উনার অধঃস্তন অন্যতম পুরুষ সাইয়্যিদুল

আউলিয়া, কুতুবুল আলম হযরত সাইয়্যিদ

শাহ ইলমুল্লাহ

রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিই

কড়া হতে হিজরত করে রায় বেরলীর

সাই নদীর তীরে দায়েরায়ে শাহ

আলামুল্লাহ স্থাপন করেন।

সেখানে থেকেই

তিনি মানুষকে ইলমে শরীয়ত

এবং ইলমে তরীক্বত উনাদের দরস

মুবারক দান করতেন। উনার বেমেছাল

কারামত বুযূর্গীর কথা জনসমাজে খুবই

প্রসিদ্ধ। এগুলো অনেক

ঐতিহাসিকদের

কিতাবপত্রসমূহে সবিস্তারে বর্ণিত

রয়েছে। তিনি সুলতানুল

আউলিয়া সাইয়্যিদ হযরত আদম বিন

নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

অন্যতম প্রধান খলীফা ছিলেন।

তিনি আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ

আহমদ শহীদ বেরলভী আলাইহিস

সালাম উনার বুযূর্গ পিতা উনার

সম্মানিত উর্ধ্বতন পিতামহ।

সুবহানাল্লাহ! সুপ্রসিদ্ধ ও সুবিখ্যাত

কিতাব মুবারকসমূহে যুগের ইমাম,

আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ

শহীদ বেরলভী আলাইহিস সালাম

উনার পবিত্র নসবনামা মুবারক

নিম্নোক্তভাবে বর্ণিত রয়েছে।

যেমন- হযরত সাইয়্যিদ আহমদ

ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইরফান

ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ নূর ইবনে সাইয়্যিদ

মুহম্মদ হুদা ইবনে সাইয়্যিদ ইলমুল্লাহ

ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ ফুদায়েল

ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ মুয়াযযান

ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ

ইবনে কাজী সাইয়্যিদ মাহমুদ

ইবনে সাইয়্যিদ আলাউদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ

সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়িদ সদরুদ্দীন

সানী ইবনে সাইয়্যিদ যায়নুদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ

আলী ইবনে সাইয়্যিদ কিয়ামুদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ সদরুদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ কাজী রুকুনুদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ আমীর নিযামুদ্দীন

ইবনে সাইয়্যিদ আমীর কবীর

ইবনে সাইয়্যিদ কুতুবুদ্দীন মুহম্মদ আল

হাসানী ইবনে সাইয়্যিদ রশীদউদ্দীন

আহমদ ইবনে সাইয়্যিদ ইউসূফ

ইবনে সাইয়্যিদ ঈসা ইবনে সাইয়্যিদ

হাসান ইবনে সাইয়্যিদ আবুল হাসান

আলী ইবনে সাইয়্যিদ আবু জাফর মুহম্মদ

ইবনে সাইয়্যিদ কাসিম ইবনে সাইয়্যিদ

আবু মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে সাইয়্যিদ

হাসান আল আনওয়ার আল জাওয়াদ

ইবনে সাইয়্যিদ মুহম্মদ

সামী ইবনে সাইয়্যিদ আবু মুহম্মদ

আবদুল্লাহ আল আশতার ইবনে সাইয়্যিদ

মুহম্মদ সাহিবুন নাফসিজ

যাকিয়া ইবনে সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ

আল মাহদী ইবনে সাইয়্যিদ হাসান

মুসান্না ইবনে সাইয়্যিদুনা ইমামুল

হুমাম আউয়াল হাসান আলাইহিস

সালাম

ইবনে সাইয়্যিদাতুনা ফাতিমাতুয

যাহরা আলাইহাস সালাম ও

সাইয়্যিদুনা কাররামাল্লাহু

ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম।

সুবহানাল্লাহ! কত সুন্দর সুবিন্যস্ত

মাদানী নববী নিসবত মুবারক-এর জাত

এবং সত্তাগত অধিকারী ছিলেন

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ

পাক উনার মাহবুব খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী,

আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের

সিতারা, যুগের ইমাম, আমীরুল

মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরলভী আলাইহিস সালাম। আল্লাহ

আকবর! এমন মাদারজাত ওলী উনার

সুমহান শানে অপবাদ আরোপকারী,

বিরোধিতাকারী সুন্নী নামের

কলঙ্ক রেযাখানীদের

পক্ষে কি করে সম্ভব রহমতের

মধ্যে থাকা, কি করে সম্ভব হক্বের

মধ্যে থাকা? তাই তো তারা আজ

তাবৎ হারাম কুফরী-শিরকী আমল-

আক্বীদা করতে করতে বাতিল

ফিরক্বা হিসেবে সমাজে চিহ্নিত

হয়েছে।

Advertisements

ব্রিটিশ বেনিয়াদেরদ্বারা প্রভাবিত একশ্রেণীরস্বার্থান্বেষী মহল শহীদে আযম,আমীরুল মু’মিনিন, সুলত্বানুলআরেফীন, আওলাদে রসূলসাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ শহীদবেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনারনামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে থাকে।

ব্রিটিশ বেনিয়াদেরদ্বারা প্রভাবিত একশ্রেণীরস্বার্থান্বেষী মহল শহীদে আযম,আমীরুল মু’মিনিন, সুলত্বানুল আরেফীন, আওলাদে রসূলসাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ শহীদবেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনারনামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে থাকে।

ব্রিটিশ বেনিয়াদের

দ্বারা প্রভাবিত একশ্রেণীর

স্বার্থান্বেষী মহল শহীদে আযম,

আমীরুল মু’মিনিন, সুলত্বানুল

আরেফীন, আওলাদে রসূল

সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে থাকে।

ব্রিটিশ প্রভুদের

খুশি করতে ইসলামের মধ্যে বিভেদ

সৃষ্টি করতে তারা এহেন কুকর্ম

করে থাকে। প্রকৃত

ইতিহাসকে গোপন রেখে,

ইতিহাসকে বিকৃত করে এই

দালালরা হযরত আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

বিরোধিতা করে। অথচ পৃথিবীর

কোন ইতিহাসে এই ইংরেজদের

খুদকুড়া খাদক দলটি ছাড়া শহীদ

আযম হযরত আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

বিরোধিতা করে নাই।

আসুন আমরা হযরত আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

সম্পর্কে প্রসংসাকারী হাজার

হাজার দলীল থেকে কতিপয় দলীল

পেশ করি-

মাওলানা হায়দার

আলী রামপুরী লিখেন-

” হযরত আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

হেদায়েতের নূর অত্যুজ্জ্বল

জ্যোতিষ্কের ন্যায় দেশ

দেশান্তরের মানুষের হৃদয়

রাজ্যে উদ্ভাসিত

করে তুলেছে।”

দলীল-

√ সিয়ানাতুন্নস ৫-৬ পৃষ্ঠা।

হযরত মাওলানা বেলায়েত

আলী আযিমাবাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

কিতাবে লেখেন-

” হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

ব্যক্তিত্ব

খোদায়ী সাহায্যে পুষ্ট

ছিলো এবং তিনি আল্লাহ পাক এর

নিকট অত্যন্ত মকবুল ছিলেন।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষের

অন্তর তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হতো,

ফলে তাঁর মুরীদ হতে বাধ্য হতো।”

দলীল-

√ রিসালত দাওয়াত ৬৫ পৃষ্ঠা

আল্লামা জাফর

থানেশ্বরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

কিতাবে আমীরুল মু’মিনিন হযরত

সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে লিখেন-

” তিনি জাগ্রত অবস্থায় হযরত

নবী করীম ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর

সাক্ষাত লাভ করতে পারতেন।

এবং কাশফের শক্তি বলে হযরত ইমাম

আবু

হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

সাথে সাক্ষাত করতেন।

এতে শরীয়তের জটিল

মাসায়ালা অবগত হওয়া তাঁর

নিকট সহজ ছিলো।”

দলীল-

√ তাওয়ারিখে আযীবা ৪০-৪১

পৃষ্ঠা।

বিখ্যাত আলেম, হাফিজে হাদীস,

মুফতিয়ে আযম, পীরে কামেল হযরত

রহুল আমীন

বশীরহাটি রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

” হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি হানাফী ছিলেন

ও তাঁর ত্রিশ লক্ষ মুরীদ ছিল।

তিনি তরীক্বতে হযরত নবী করিম

ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কদম

মোবারকের উপর ছিলেন। এজন্য নিজ

তরীক্বাকে মুহম্মদীয়া তরীক্বা বলতেন।

এটা কাদেরীয়া, চিশতিয়া,

নকশবন্দীয়া, সোহরাওয়ার্দীয়

া ইত্যাদি তরীক্বার গুলোর

অন্তর্ভুক্ত।”

দলীল-

√ বিজ্ঞাপন রদ

হযরত মাওলানা ওয়াজীর উদ

দৌলা লিখেন-

” হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

তিনটি বৈশিষ্ট্য। (১) বিনয়

নম্রতা নিয়ে নামায আদায় করা।

(২) কুরআনের ইলিম ও তৎপতি আমল।

এবং (৩) মকবুল দোয়া।”

দলীল-

√ ওয়াসীলে ওয়াজীর।

মাওলানা আব্দুল মওদুদ ছাহেব

লিখেন-

” বালাকোটের বিপর্যয় আকস্মিক

নয়, অভাবনীয় নয়।

সম্প্রতিকালের যেসব প্রমান্য

ঐতিহাসিক তথ্য প্রকাশিত

হয়েছে, সেসব

থেকে নিঃসন্দেহে প্রমানিত

হয় যে, ১৮৩১ সালের ৬ই মে (২৪

জিলকদ, ১২৪৬ হিজরী)

তারিখে বালাকোটে হযরত আহমদ

শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও

হযরত শাহ ইসমাঈল শহীদ

রহমাতুল্লাহি আলাইহি কয়েকশত

মুজাহিদ নিয়ে যে মৃত্যু

যজ্ঞের সম্মুখীন হয়েছিলেন ,

তা ছিলো কারবালার মর্মন্তুদ

ঘটনার মতোই পূর্বনির্দষ্ট

অবশ্যম্ভাবী ঘটনা।”

দলীল-

√ ওহাবী আন্দোলন ১৪৯ পৃষ্ঠা ।

হাদীয়ে বাঙ্গাল, মুহিউস

সুন্নাহ হযরত কারামত

আলী জৈনপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

” খোদা তায়ালার

অনকম্পা প্রাপ্ত এই উম্মতের

ভিতর কুতুবুল আকতাব, আমীরুল

মু’মিনিন

রহমাতুল্লাহি আলাইহি ত্রয়োদশ

শতাব্দীর মুজাহিদ

রূপে আবির্ভূত হয়েছেন।”

দলীল-

√ মুকাশিফাতে রহমত ১৫ পৃষ্ঠা।

মাওলানা আব্দুল আহাদ

রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

” হিন্দুসহ অন্যান্য

ধর্মাবলম্বী চল্লিশ হাজার

মুশরিক হযরত আহমদ শহীদ

বেরলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

নিকট এসে ইসলাম গ্রহন করে ও ত্রিশ

লক্ষ মুসলমান তার নিকট বাইয়াত

হয়।”

দলীল-

√ সিয়ানাতুন্নস

মাওলানা হযরত সিদ্দীক আহমদ

রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

” বিদয়াত ধ্বংসকারী,

গোমরাহী মিটানেওয়ালা, হযরত

সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি একজন

আলিম, কাশফ শক্তি সম্পন্ন উচ্চ

দরজার ওলী ছিলেন।”

দলীল-

√ কারামতে আহম্মদী।

আল্লামা গোলাম রসূল মিহির

তার বিখ্যাত কিতাবে লিখেন-

” হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস

দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,

আমার নিকট বার বৎসরে যা লাভ হবে,

হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার

নিকট তা বার দিনে হবে।”

দলীল-

√ সৈয়দ আহমদ শহীদ ৯২ পৃষ্ঠা।

বাংলা একাডেমী থেকে প্রনীত

“মুসলিম সংস্কারক ও সাধক”

পুস্তকে হুমায়ুন আব্দুল হাই

লিখেন-

” সৈয়দ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ১৭৮৬

খ্রিস্টাব্দে ( ১২০১ হিজরী)

ভারতের অন্তর্গত উত্তর

প্রদেশের রায়

বেরেলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর

পিতার নাম ছিলো সৈয়দ

মোহাম্মদ নূর

তিনি যে বংশে জন্মগ্রহণ করেন

তা বিখ্যাত হাসানী সৈয়দ বংশ

নামে খ্যাত এবং তিনি ছিলেন এ

বংশের পয়ত্রিশতম পুরুষ। এসময়

সৈয়দ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

বিদ্যা ও পান্ডিত্যে মগ্ধ

হয়ে শাহ আব্দুল আযীয

রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও

জামাতা শাহ আব্দুল হাই

রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর

শিষ্যত্ব গ্রহন করেন।

ক্রমান্বয়ে ধর্মীয় নেতা ও

সমাজ সংস্কারক হিসেবে তাঁর

সুনাম দিল্লী ও ভারতের

বিভিন্ন

অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দেশ

দেশান্তর থেকে তাঁর ডাক

আসতে থাকে।

দলীল-

√ মুসলিম সংস্কার ও সাধক।

এ প্রসঙ্গে ডঃ সৈয়দ মাহমুদুল

হাসান লিখেন-

” হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে ওহাবী

আন্দোলনের

প্রবক্তা হিসাবে চিহ্নিত

করা হয়েছে কিন্তু

প্রকৃতপক্ষে তিনি ওহাবী ছিলেন

না। কারন তার মতবাদ

বহুলাংশে আব্দুল ওহাবের

চিন্তাধারা হতে পৃথক ছিলো।

প্রথমতঃ তিনি আব্দুল ওহাব

অথবা তার শিষ্যের

সংস্পর্শে আসেননি। কারন

আব্দুল ওহাব পূর্বেই মৃত্যুবরণ

করে এবং তার শিষ্যরা হেজাজ

হতে বিতাড়িত হয়।

দ্বিতীয়তঃ আব্দুল ওহাব

গোঁড়াপন্থী মুসলমান ছিল

এবং কুরআন হাদীস

(গোঁড়ামীভাবে) অনুসরণ করতো।

অপরদিকে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ

শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি আব্দুল

ওহাব নয় বরং হযরত শাহ

ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস

দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

পুত্র হযরত শাহ আব্দুল আযীয

মুহাদ্দিস

দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর

শিষ্য ছিলেন এবং তার

মতবাদে প্রভাবান্বিত হন। ”

দলীল-

√ ভারত বর্ষের ইতিহাস ৫৭২-৫৭৩

পৃষ্ঠা।

প্রকাশনা- গ্লোব লাইব্রেরী ।

অধ্যাপক এম.এ খান বলেন-

” Muslim of Bengal played a pioneering role in

this revolution just keeping with the dedicated

part in the famous zihad movement of syed

Ahmad shahid.”

দলীল-

√ The Great Revolt of 1857.

এছাড়া wahabism in India, encyclopedia of

Islam , history of nationalism in east, what

actually wahabism, civil disturbance during the

British rule in India , a fascinating chapter of the

history of Islam in east

Pakistan …প্রভৃতি গ্রন্থে হযরত

আহমদ শহীদ

বেরেলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও

তাঁর মুজাহিদ বাহীনির

আন্দোলনকে জিহাদী আন্দোলন

হিসাবে চিহ্নিত

করা হয়েছে এবং তার সংস্কার

আন্দোলনকে যারা ইংরেজদের

সহিত সম্পর্ক যুক্ত

করে এবং আরবের ইবনে আব্দুল ওহাব

নজদীর সাথে একত্রিত

করেছে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব

দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ইসলামী ফাউন্ডেশন

থেকে প্রকাশিত ”

ইসলামী বিশ্বকোষ” কিতাবে উনার

বিস্তারিত

জীবনি এবং বালাকোটের

যুদ্ধে বর্ননা দেয়া আছে।

এরকম পৃথিবীর সকল নির্ভরযোগ্য

কিতাবে এবং গবেষনামূলক

গন্থসমূহে শহীদে আযম,

আওলাদে রসূল, আমীরুল মু’মিনিন

হযরত সাইয়্যিদুনা আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে

মুজাদ্দিদ,

মুজাহিদ, হাদী, সুন্নত

জিন্দাকারী, লক্ষ্যস্থল

ওলী আল্লাহ ইত্যাদি মহান

খেতাবে ভূষিত করেন। অথচ

কোথাকার কোন হুক্কাখোর,

গাঁজাখোর মৌলবী উনার

বিরোধিতা করলো না কি করলো কার

দেখার সময় আছে ? কারন এসকল

মুনাফিক

মার্কা হুক্কা মৌলবী পৃথিবীর

সব যুগেই ছিলো এখনো আছে সব

সময়ই থাকবে। এদের বিরোধিতায়

ওলী আল্লাহ উনাদের শান মোটেও

কমে না…!! বরং ওলী আল্লাহ

উনাদের

বিরোধিতা করে জাহান্নামের

কিছু লোক বৃদ্ধি পায়।

গুমরাহ লানতপ্রাপ্ত, সুন্নী নামের কলঙ্ক, হু্ক্কা হুয়া রেজাখানী গং পাকি ভন্ড পীর ও তার নজরপ্রাপ্ত ভন্ড সূফী সাবের হাক্বীক্বত ৷

গুমরাহ লানতপ্রাপ্ত, সুন্নী নামের কলঙ্ক, হু্ক্কা হুয়া রেজাখানী গং পাকি ভন্ড পীর ও তার নজরপ্রাপ্ত ভন্ড সূফী সাবের হাক্বীক্বত ৷

আমাদের দেশের চট্টলার গুটি কয়েক

রেজাখানীদের দীক্ষাগুরু এমন এক ভন্ড

বাতিল পীর যে কিনা হালাল

হারামের কোন তমীজ করে না | তার

চারপাশে ঘিরে থাকে ঘুষখোর,

সুদখোর, শরাবখোরসহ ফাসিক ফুজ্জার

গং |

এই শ্রেণীর লোকজন তার কাছে যে

হিদায়েত হয়ে ভাল হবার জন্য ভিড়

করে তা কিন্তু নয় | কারণ তাদের পাকি

পীর নিজেই তো হিদায়েতের উপর নেই

অন্যকে কিভাবে হিদায়েত দিবে?

বরং হারাম নাজায়িয কাজের মুখোশ

আড়াল রাখার জন্য এবং সুদ, ঘষ, শরাব,

দেদরছে ডুবে থাকার জন্য ওই

রেজাখানী পাকি পীরকে নিয়ে এরা

বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামসহ

অন্যান্য স্থানে ধর্ম ব্যবসা করে মাত্র

| ২০১২ সালে জুলুস করার জন্য পাকি

পীরকে হেলিকপ্টারে নিয়ে আসে

তারই এক ভক্ত বলে কথিত ভন্ড সূফী

সাব | হেলিকপ্টারে ছড়িয়ে এটাকে

নিয়ে কম বিজ্ঞাপন করা হয়নি, কম

ছবি তোলা হয়নি | যে সূফী সাব

নামধারী এই কাজটি করেছে, যার

কাঁধে সওয়ার হয়ে পাকি পীর এসেছে

সেই সূফী সাব হরদম হাতে তসবিহ

রাখে, কাদিয়ানীদের ন্যায় কালো

টুপি পরে |

বাকপটু ওই সূফি সাব নিজেকে জাহির

করার জন্য হারাম টিভি চ্যানেলে

প্রোগ্রাম করে, ২০১১ সালে Tri Nation

Big Show-এর নামে ৫ কোটি টাকার

স্পন্সর করে হিন্দু বিবস্ত্র নায়িকা

এনে ঢাকা স্টেডিয়ামে গান-বদ্য-

নৃত্যের মজমা আয়োজন করে, ২০০৯

সালে তা ভার্সিটির অনুষ্ঠানের নামে

ভারতের কাদিয়ানীদের এক নেতাকে

বাংলাদেশে নিয়ে আসে, চট্টগ্রামে

এইচএসবিসি’র একটি গান-বাদ্যের

মজমাতে পাকি পীরের নজরপ্রাপ্ত

সূফী সাব প্রকাশ্যে ভারতীয় এক হিন্দু

মুশরিক গায়িকাকে মা বলে জড়িয়ে

ধরে | এমনকি ওই গায়িকার রাতে

কলকাতা ফেরার টিকিট সে বাতিল

করে নর্তকী-গায়িকাদের তার বাসায়

নিয়ে যায় | রাতভর গানের আসর করে |

বাসভবনকে আধুনিক আলোকসজ্জায়

সজ্জিত করে ওই নর্তকী বাদীকাদের

সম্মানে | নাউযুবিল্লাহ্!

ঠিক একই কায়দায় সম্মান করে এই সূফি

সাব সময় সুযোগমতো ভন্ড বাতিল

রেজাখানী ফিরক্বা ও তাদের পাকি

পীরকেও পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে |

এমন লোকদের নিয়ে যে পীর ও তার

ফাসেক ফুজ্জারী কওমের চলাফেরা-

উঠাবসা তাদের পক্ষে কি করে সম্ভব,

খালিক্ব-মালিক আল্লাহ্ পাক-এর মকবুল

ওলী এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

সাল্লাম-এর জাহিরী বাতিনী

নিসবতপ্রাপ্ত নায়িব খলীফা, আমীরুল

মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ

বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর

সুমহান শান মুবারক বুঝা, অনুধাবন করা

এবং সেই আদব অনুযায়ী তাঁকে মূল্যায়ন

করা! যার কারণে তারা গুমরাহ হয়েছে

এবং গুমরাহীতেই তারা আজ পর্যন্ত

নিমজ্জিত রয়েছে |

আপনাদের অর্থাৎ রেযা খানি

মাযহাবের অনুসারিদের খাসলতগত

বদঅভ্যাস হচ্ছে- ইতিহাস বিকৃতি করা

আর অপবাদ রটনা করা | এ সব কাজে

আপনারা দারূন পটু৷

সিরাতুল মুস্তাকিত” ও “তাকভীয়াতুল ঈমান” কিতাবগুলির সাথে আমিরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহিকে জরিয়ে রেজা খাঁ কাদিয়ানী গংদের সমস্ত অপবাদ, অপপ্রচার, ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গ জবাব

সিরাতুল মুস্তাকিত” ও “তাকভীয়াতুল ঈমান”

কিতাবগুলির সাথে আমিরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ

আহমদ শহীদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া

রহমতুল্লাহিকে জরিয়ে রেজা খাঁ কাদিয়ানী গংদের

সমস্ত অপবাদ, অপপ্রচার, ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গ জবাব

…………………………………………………………………

সহীহ্ রেওয়াতে ও বিশ্বস্ত বর্ণনা মতে হযরত

সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম

ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার স্বহস্তে লিখিত

কোন কিতাব নেই | এ কথাটি ঐতিহাসিক সত্য | এ

বিষয়ে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি যে, মহান

আল্লাহ পাক উনার জমিনে এমন কোন সন্তান জন্মগ্রহণ

করেনি যে প্রমাণ করতে পারবে যে, হযরত সাইয়্যিদ

আহমদ শহীদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া

রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার রচিত বা লিখিত কোন

কিতাব রয়েছে; কিন্তু স্বার্থান্বেষী ও সংখ্যা লঘু

জামায়াত রেযা খাঁনী গংরা নফসের তাড়নায় উদ্ভূদ্ধ

হয়ে হযরত ইসমাঈল শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি

আলাইহি রচিত “সিরাতুল মুস্তাকিম” কিতাবখানা

অত্যন্ত কূটচালে উনার নামে চালিয়ে দিবার

অপচেষ্টা চালাচ্ছে | রেজভীদের মতে উক্ত

কিতাবের বিষয়বস্তু ও আপত্তিকর কথাবার্তা স্বয়ং

হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী আলাইহিস

সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিজের এবং

এটাকে কিতাব আকারে রূপ দিয়েছেন হযরত

মাওলানা ইসমাঈল শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি | কিন্তু

হিন্দুস্থান ও বাংলাদেশের জমহুর বিখ্যাত ও

নামজাদা আলেমগণের বক্তব্যনুযায়ী এ কথা সম্পূর্ণ

মিথ্যা যার ঐতিহাসিক কোন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া

যায় না |

শ্রদ্ধেয়, বরেণ্য, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের এই

বড় জামায়াতের বক্তব্য ও বর্ণনা থেকে বুঝা যায়

ব্রিটিশ মদদপুষ্ট হিংসুক, বিরুদ্ধবাদী, রেযা খানী

গংরা ষড়যন্ত্র করে মানুষের নিকট উনাকে হেয়

প্রতিপন্ন করার মানসে উনাকে ওহাবী বলার সাথে

সাথে উক্ত বহুল সমালোচিত “সিরাতুল মুস্তাকিম”

কিতাবটিও উনার নামে জনসমাজে অত্যন্ত

সুপরিকল্পিত ভাবে ছড়িয়ে দিয়েছে | এই বড়

জামায়াতের সাথে আমরাও সম্পূর্ণ একমত | আমাদের

মতেও হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী

আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

স্বহস্তে লিখিত বা রচিত কোন কিতাব মহান আল্লাহ্

পাক উনার জমিনে নেই | এবং একথা কেউ দলীল-

আদিল্লাহ ও সূত্রসহ প্রমাণও করতে পারবে না যে,

এটি উনারই লিখিত কিতাব |

মূলতঃ এই কিতাবের লেখক হচ্ছেন, হযরত মাওলানা

ইসমাঈল শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি |

আর হযরত ইসমাঈল শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি

আলাইহি যদি উনার কিতাবে কিছু আপত্তিকর

কথাবার্তা লিখে থাকেন তার জন্য উনি নিজেই

দায়ী হবেন বা তার জবাবদিহী তিনিই করবেন |

সেইজন্য হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী

আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে

কোন প্রকারেই দায়ী বা দোষী সাব্যস্ত করা জায়েয

নয় |

কারণ মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, “এক

জনের গুণাহের বোঝা অন্যজন বহন করবেনা |” অর্থাৎ

একজনের জন্য অন্যজন দায়ী হবেনা | (সূরা

আনআম/১৬৪)

এরপরও যদি হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী

আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে

দোষারোপ করা হয় তাহলে তা হবে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র

কুরআন শরীফ-পবিত্র সুন্নাহ শরীফের খিলাফ | যা

নাজায়েয ও হারাম |

আর যারা বলেন, “সিরাতুল মুস্তাকীম” কিতাব হচ্ছে,

হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী আলাইহিস

সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুখনিসৃত

বাণী বা উনার বয়ান যা শুনে হযরত ইসমাঈল শহীদ

রহমতুল্লাহি আলাইহি তা কিতাব আকারে রূপ

দিয়েছেন তাহলে হযরত ইসমাঈল শহীদ রহমতুল্লাহি

আলাইহি কি করে দোষী সাব্যস্ত হবেন? আমাদের

জবাব হলো, যে ব্যক্তি কোন মুহাক্কিক ওলী আল্লাহর

বয়ান শুনে তা লিপিবদ্ধ করে কিতাবের আকারে রূপ

দেয় উক্ত কিতাবের ভুল-ক্রটির জন্য সংকলকই দায়ী

থাকে |

উল্লেখ্য যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্বলিত অনেক

কিতাব রয়েছে যার মধ্যে মওজু মতরুক অর্থাৎ গায়ের

সহীহ হাদীছ শরীফও রয়েছে | এখন প্রশ্ন হচ্ছে এ সমস্ত

মওজু মতরুকও গায়ের সহীহ হাদীছ শরীফের জন্য কি

স্বয়ং আল্লাহ পাক উনার রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি দায়ী বা দোষী সাব্যস্ত

হবেন? না এর সংকলক দায়ী ও দোষী সাব্যস্ত হবেন?

যদি সংকলক দায়ী ও দোষী বলে সাব্যস্ত হন তাহলে

হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী আলাইহিস

সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুখ

নিসৃতবাণী সংকলন করার কারণে তার মধ্যস্থ ভুল-

ক্রটির কারণে একইভাবে সংকলকই দায়ী বা দোষী

বলে সাব্যস্ত হওয়ার কথা | তাহলে এ ব্যাপারে কি

করে হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী আলাইহিস

সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দোষারোপ

করা যেতে পারে?

জানা আবশ্যক যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল

মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

সাল্লাম উনার পবিত্র হস্ত মুবারকে বাইয়াত হয়ে কত

নামধারী কপট মুনাফিক মুসলমান উনার সাথে যুদ্ধ-

জিহাদ করেছে | উনার পিছনে মুক্তাদী সেজে

সালাত (নামায) আদায় করেছে | সর্বক্ষণই তারা হুযূর

পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার

চারপাশে উনাকে ছায়ার মত ঘিরে থাকতো | অথচ এক

সময় এরাই পবিত্র সহধর্মিনী আলাইহাস সালাম

উনাদের উপর অর্থাৎ উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহাস

সালামগণের উপর মিথ্যা তোহমত, অপবাদ দিয়ে গোটা

নবী পরিবারে বিষের আগুণ লাগিয়ে দিতে

রহমতুল্লীল আলামীনকে যারপর নাই তাকলীফ (কষ্ট)

দিয়েছে |

তেমনি পূর্ববর্তী ইহুদী-নাসারাদের নবী-রসূল

আলাইহিস সালামগণ যেমন হযরত মূসা আলাইহিস

সালাম উনার উপর তাওরাত শরীফ, হযরত দাউদ

আলাইহিস সালাম উনার উপর যাবুর শরীফ, হযরত ঈসা

আলাইহিস সালাম উনার উপর ইনজিল শরীফ নাযিলকৃত

আসমানী কিতাব যা-কিনা তাদের মন মত হয়নি | তাই

তারা তাদের চাহিদানুযায়ী উক্ত পবিত্র আসমানী

কিতাবগুলোর বিকৃতি ঘটিয়ে অর্থাৎ নিজেদের

মনগড়া অভিমত উক্ত পবিত্র গ্রন্থে ঢুকিয়ে মূল

আসমানী কিতাবগুলোর অস্তিত্বই নষ্ট করে ফেলেছে

| এখন উক্ত চির পথভ্রষ্ট, গোমরাহ্ ইহুদী-নাসারাদের

জন্য কি তাদের নবী-রসূল আলাইহিস সালামগণকে

দোষারোপ করা হবে? (নাঊযুবিল্লাহি মিন যালিক)

হযরত আলী আলাইহিস সালাম ওয়া রদ্বিয়াল্লাহু

তায়ালা আনহু উনার মুহব্বতের দাবীদার বহু শিয়া,

রাফেজী, খারেজী উনার জীবিত অবস্থাতেই উনাকে

তাদের ইমাম মানতো, এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের

প্রথম দু’খলীফাদের চেয়ে উনাকে শ্রেষ্ঠ মনে করত |

যদিও বা হযরত আলী আলাইহিস সালাম ওয়া

রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এটা একদমই পছন্দ করতেন

না | এই খারেজী, রাফেজী, শিয়া সম্প্রদায় যারা

হযরত আলী আলাইহিস সালাম ওয়া রদ্বিয়াল্লাহু

তায়ালা আনহু উনাকে সকলের চেয়ে অধিক মুহব্বত

করতো বা করে থাকে তাদের ভ্রান্ত ও গোমরাহী

আক্বীদার জন্য হযরত আলী আলাইহিস সালাম ওয়া

রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে কি তাদের পথ

প্রদর্শক বা আমীর ধরে নেয়া যাবে? (নাঊযুবিল্লাহ

মিন যালিক)

তদ্রুপ হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী

আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

উচ্চ কামালত বেলায়েতের দরজা হাছিল হওয়ার

সংবাদ শুনে বহু খারেজী, ওহাবী, মুনাফিক,

বিদয়াতী, লা-মাযহাবীর দল উনার হাতে হাত

রেখেছে, এখন তাদের ভ্রান্ত ও বদ্ আক্বীদার জন্য

তো আর তিনি দায়ী নন |

আর যদি প্রকৃত অর্থেই তাই হয় অর্থাৎ হযরত ইসমাঈল

শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্য হযরত

মুজাহিদে মিল্লাত হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ

বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি উনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় তবে

কাবিলের জন্য হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে,

কেনানের জন্য হযরত নূহ আলাইহিমুস সালাম উনাকে,

আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইর জন্য আল্লাহ পাক উনার রসূল

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে

এবং ইয়াজিদের ভুল-ক্রটির জন্য বিরূদ্ধবদীদের মতে

হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু দোষি

সাব্যস্ত হবেন |

নিরেট মূর্খ জাহেল, বিদয়াতী, গোমরাহ্, পথভ্রষ্ট

সম্প্রদায় ব্যতীত কেউই এ ধরণের আক্বীদা ও

চিন্তাভাবনা করবেনা কস্মিনকালেও |

উপরোক্ত বিস্তৃত ও তথ্যবহুল সমৃদ্ধ আলোচনা শেষে এই

বিদয়াতী ফিরকাবন্দী রেজভী রেযা খাঁনি গংদের

আমরা দ্ব্যর্থহীন ও বলিষ্ঠকন্ঠে বলতে চাই যদি তারা

সত্যবাদী ও হক্বের অনুসন্ধানকারী হয়ে থাকে তবে

তারা যেন মুজাহিদে মিল্লাত, ত্রয়োদশ শতাব্দীর

মুজাদ্দিদ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ শহীদ

আহমদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি উনার স্বরচিত কিতাব থেকে লিখিত কোন

আপত্তিকর বাক্য উদঘাটন করে দেখাক যা তার

ওহাবী ও কাফির হওয়ার পরিচয় বহন করে | এবং হযরত

ইসমাঈল শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার

রচিত “সিরাতুল মুস্তাকিম” কিতাবের বিভ্রান্তিমূলক

বাক্যগুলো যে উনারই লিখা তা তারা প্রমাণ করুক |

অন্যথায় পৃথিবী বিখ্যাত একজন আফজালুল ওলী,

মুজাদ্দিদুযযামান উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা তোহমত,

কুফরী ফতওয়া বা অপবাদ দেয়ার কারণে উক্ত তোহমত

বা কুফরী ফতওয়া তাদের উপরই বর্তাবে |

এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে,

ﻭﻋﻦ ﺍﺑﻰ ﺍﻟﺪﺭﺩﺍﺀ ﻗﺎﻝ ﺳﻤﻌﺖ ﺭﺳﻤﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ

ﻳﻘﻮﻝ ﺍﻥ ﺍﻟﻌﺒﺪ ﺍﺫﺍ ﻟﻌﻦ ﺷﻲﺀﺍ ﺻﻌﺪﺕ ﺍﻟﻠﻌﻨﺔ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﻓﺘﻐﻠﻖ

ﺍﺑﻮﺍﺏ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﺩﻭﻧﻬﺎ ﺛﻢ ﺗﻬﺒﻂ ﺍﻟﻰ ﺍﻻﺭﺽ ﻓﺘﻐﻠﻖ ﺍﺑﻮﺍﺑﻬﺎ ﺩﻭﻧﻬﺎ ﺛﻢ

ﺗﺄﺧﺬ ﻳﻤﻴﻨﺎ ﺛﻤﺎﻻ ﻓﺎﺫﺍ ﻟﻢ ﺗﺠﺪ ﻣﺴﺎﻏﺎ ﺭﺟﻌﺖ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺬﻯ ﻟﻌﻦ ﻓﺎﻥ ﻛﺎﻥ

ﻟﺬﻟﻚ ﺍﻫﻼ ﻭﺍﻻ ﺭﺟﻌﺖ ﺍﻟﻰ ﻗﺎﺀﻟﻬﺎ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ

অর্থঃ- “হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু

হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি তিনি

বলেছেন, যখন বান্দাহ কোন বস্তুকে বা কাউকে

অভিসম্পাত করে, তখন সে অভিসম্পাত আকাশের

দিকে উঠতে থাকে, তখন আকাশের দরজা বন্ধ করে

দেয়া হয় | অতঃপর ঐ অভিসম্পাত যমীনের দিকে

প্রত্যাবর্তন করে | তখন যমীনের দরজাও বন্ধ করে

দেয়া হয় | অতঃপর উহা ডান দিকে ও বাম দিকে যায়

এবং সেখানেও যখন কোন রাস্তা না পায়, শেষ

পর্যন্ত সেই ব্যক্তি বা বস্তুর দিকে প্রত্যাবর্তন করে

যার প্রতি অভিসম্পাত করা হয়েছে | যদি সে

অভিসম্পাতের উপযুক্ত হয় তবে তার উপরে আপতিত হয়

| অন্যথায় (যদি সেই ব্যক্তি বা বস্তু অভিসম্পাতের

উপযুক্ত না হয়) অভিসম্পাতকারীর দিকেই ফিরে আসে

|” (পবিত্র আবূ দাউদ শরীফ)

কাজেই যারা হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী

আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে

বিনা প্রমাণে কাফির ফতওয়া দেয় বা দিবে তাদের

স্বরণ রাখতে হবে যে, হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ

বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি কোন কুফরী না করার কারণে এই ফতওয়া

তাদের উপরই বর্তাবে |

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, উক্ত কিতাবের যেসমস্ত

আপত্তিকর বিভ্রান্তমূলক কথা-বার্তা পরিলক্ষিত হয়

তা হচ্ছে মূলতঃ হিংসুক ও নিন্দুকের নিন্দার ফসল |

অর্থাৎ ব্রিটিশ সরকার ও তাদের পদলেহী দালালেরা

উক্ত কুফরীমূলক বাক্য হযরত ইসমাঈল শহীদ দেহলভী

রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “সিরাতুল মুস্তাকিম”

কিতাবে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে | কারণ এই কিতাব

১২৩৩ হিজরীতে লিখিত হয়েছে আর প্রকাশ করা

হয়েছে ১৩৩৪ হিজরীতে অর্থাৎ দীর্ঘ প্রায় ১০০ বছর

পর প্রকাশিত হয়েছে, তখন অর্থাৎ যখন কিতাবখানা

হযরত ইসমাঈল শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি

লিখেন ঐ সময় হযরত শাহ্ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিস

দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি জীবিত ছিলেন | যদি

“সীরাতুল মুস্তাকীম” কিতাবে কুফরীমূলক আক্বীদা

উল্লেখ থাকতো তাহলে হযরত শাহ আব্দুল আজীজ

মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি অবশ্যই

উনাকে সতর্ক করে শুধরিয়ে দিতেন |

আরো উল্লেখ্য যে, হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ

বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি উনাকে যদি হযরত ইসমাঈল শহীদ দেহলভী

রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্য দোষারোপ করতে

হয় তবে প্রথম দোষারোপ করতে হবে হযরত ইসমাঈল

শহীদ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার চাচা ও

প্রথম পীর সাহেব “হযরত শাহ্ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিস

দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে |” কারণ তিনি

তার সোহবতে থেকে তা’লীম-তরবিয়ত পেয়ে ইলমে

ফিক্বাহ্ ও ইলমে তাসাউফে পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়ে

খিলাফত লাভ করেন |

উনার সম্পর্কে সিরাজুল হিন্দ, শাহ্ আব্দুল আজীজ

মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার এক

মাকতুবে উনাকে হুজ্জাতুল ইসলাম (ইসলামের দলীল),

তাজুল মুফাসসীরিন (মুফাসসীরগণের মাথার মুকুট),

ফখরুল মুহাদ্দিসিন (হাদীছ শরীফ বিশারদগণের গৌরব)

বলে উনার উচ্চ প্রশংসা করেন |”

পরবর্তীতে হযরত শাহ্ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিস

দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নির্দেশে ইলমে

তাসাউফে আরো তরক্কী হাছিলের জন্য হযরত

সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ বেরেলভী আলাইহিস সালাম

ওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ

করেন |

আর যদি উক্ত কিতাবের বিভ্রান্তি ও আপত্তিকর

কথা-বার্তাগুলো সত্যিই হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ

বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি উনার নিজের হতো তবে মক্কা শরীফ, মদীনা

শরীফ, মিশর, আফ্রিকা, আফগানিস্থান, ভারত,

পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ বহু দেশের লক্ষ লক্ষ

মুরীদ, শত শত হাজার হাজার আকাবিরে আলেম

মুরীদগণ কি উনাকে এ ব্যাপারে সচেতন করাতেন না?

বাংলা, ভারতসহ পবিত্র মক্কা শরীফ, পবিত্র মদীনা

শরীফ ও মিশরের আলেমগণ যারা উনার নিকট মুরীদ

হয়ে খেলাফত লাভের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন

তারা কি এ সমস্ত কথা মেনে নিয়েছিলেন? তারা কি

এ সমস্ত আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিমূলক বাক্য শ্রবণ করে

উনার নিকট বাইয়াত হয়েছিলেন? না মহান আল্লাহ

পাক উনার দরবারে উনার মর্যাদা মর্তবা ও উচ্চ

বেলায়েতের দরজা হাছিল হবার সুসংবাদ শুনে উনার

নিকট মুরীদ হয়েছিলেন? হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ

বেরেলভী আলাইহিস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি

আলাইহি উনার সিলসীলা থেকে ফয়েজপ্রাপ্ত হয়ে

শুরু থেকে এ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ গাউস, কুতুব, আবদাল,

নুকাবা, নোজাবা ইত্যাদি হয়েছেন এমনকি গত

শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদুয্ যামান হযরত আবু বকর

সিদ্দীক ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহিও ওনার

সিলসিলার অন্তর্ভূক্ত | তাহলে তাদের কথামত তিনি

যদি কুফরী করে থাকেন, আর যে কুফরী করে সে

কাফের হয় | তাহলে একজন কাফেরের সিলসীলা

থেকে কি করে লক্ষ লক্ষ গাউস, কুতুব, আবদাল, ও

মুজাদ্দিদের আবির্ভাব ঘটাতে পারে?